তরুণ জীব প্রযুক্তিবিদদের যে অনুপ্রেরণা দিলেন নোবেল বিজয়ী ড. অ্যান্ড্রু য্যাকারি ফায়ার

স্বাধীন বাংলা প্রতিদিন

স্বাধীন বাংলা প্রতিদিন

মার্চ ২১ ২০২১, ২২:৫৮

স্বাধীন বাংলা ডেস্ক:

তরুণ জীব প্রযুক্তিবিদদের প্রয়োজনীয় অনুপ্রেরণা ও দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য দিলেন নোবেল বিজয়ী এবং স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি স্কুল অফ মেডিসিন এর অধ্যাপক ড. অ্যান্ড্রু য্যাকারি ফায়ার।

গত ২০ মার্চ নেটওয়ার্ক অব ইয়ং বায়োটেকনোলজিস্টস অব বাংলাদেশ (এনওয়াইবিবি) “নোবেল বিজয়ীর সাথে কথোপকথন” অনলাইন ভিত্তিক অধিবেশনের আয়োজন করে।

নোবেল পুরস্কার ও তৎ সংশ্লিষ্ট সেই গুরুত্ব পূর্ণ আবিস্কারের গল্পের সাথে সাথে বর্তমান বিশ্বে জীব প্রযুক্তির প্রয়োজনীয়তা ও সুযোগ নিয়ে প্রাণবন্ত আলোচনা করেন এই অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ নোবেল বিজয়ী এবং আমেরিকার স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি স্কুল অফ মেডিসিন এর অধ্যাপক ড. অ্যান্ড্রু য্যাকারি ফায়ার।

চমকপ্রদ এই অনলাইন ভিত্তিক অধিবেশনটিতে প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষক, গবেষক এবং শিক্ষার্থী যোগ দিয়েছিলেন। এনওয়াইবিবির চিফ ফিনান্সিয়াল অফিসার সুমাইয়া হাফিজ রিয়ানার উপস্থাপনা এবং সংগঠনের রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট শাখার ভাইস প্রেসিডেন্ট মো: তাহসিন খানের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা ঘটে।

নোবেল পুরস্কার বিজয়ী কাজের সূচনা সম্পর্কে বলতে গিয়ে ড. ফায়ার বলেন, “আমি যখন আমার পিএইচডি তত্ত্বাবধায়ক এবং নোবেল জয়ী জিন তত্ত্ব বিদ ডঃ ফিলিপ শার্পের কাছে জিজ্ঞাসা করলাম, কেন আর এন এ (রাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড) বিভক্ত হয়ে যায়, তিনি উত্তর দিয়েছিলেন যে, ‘কেন’ তা জানি না তবে ‘কীভাবে’ তা আমরা খুঁজে বের করতে পারি!” আর ঠিক এই ভাবেই একটি পর্যবেক্ষণ থেকে শুরু হয় সেই চমকপ্রদ কাজটির যা বর্তমান বিশ্বে উদ্ভিদ থেকে শুরু করে প্রাণী বিদ্যা, চিকিৎসা বিজ্ঞান সকল জায়গায় অবদান রেখে যাচ্ছে।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের প্রশ্নোত্তরে তিনি আরও বলেন, “শিক্ষার্থীদের সব বিষয়ে জ্ঞান রাখা জরুরি, যেন তারা যেকোন ধরনের প্রশ্নের জন্য প্রস্তুত থাকে। তিনি আরো বলেন, রোগ নির্ণয়ে বায়োটেকনোলজির টেকনিক খুবই প্রয়োজনীয়, যেমন সিকোয়েন্সিং।’

চমকপ্রদ সব প্রশ্ন উত্তরের মাধ্যমে এই বরেণ্য আমেরিকান জীব বিজ্ঞানী উপস্থিত দর্শকদের মাঝে সাবলীল ভাবে ছড়িয়ে দেন নানা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও আশাদায়ক বাণী। দারুণ এই প্রয়াসের সমাপ্তির পূর্বে মডারেটর ড. মুশতাক ইবনে আয়ূব এনওয়াইবিবির অন্যতম সম্মানিত উপদেষ্টা প্রফেসর ড. হাসিনা খান (স্বাধীনতা পুরস্কার প্রাপ্ত এবং ফেলো, বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমি) কে অনুরোধ করেন সমাপনী বক্তৃতা জ্ঞাপনের জন্য। তিনি প্রাঞ্জল ভাষায় তুলে ধরেন কীভাবে বাংলাদেশে পাট গবেষণায় উল্লেখ্য পদ্ধতির প্রয়োগের গবেষণা কাজ হচ্ছে।

ড. হাসিনা খানের ধন্যবাদ প্রদানের পর ড. ফায়ার আয়োজকদের চমৎকার এই সুযোগ সৃষ্টির জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং উপস্থিত শিক্ষার্থীদের এ রূপ কথোপকথনে সংযুক্ত হওয়ার জন্য উৎসাহ দেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলকে এনওয়াইবিবির পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশের মাধ্যমে নোবেল বিজয়ীর সাথে কথোপকথন পর্বের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

 


শুক্র শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০